মাদক প্রতিরোধে ব্যর্থ হলে জাতি অন্ধকারে ডুবে যাবে: ব্যারিস্টার নাসির

🟩 আইনের ফাঁক দিয়ে বেরিয়ে যাচ্ছে অনেক মাদক ব্যবসায়ী
🟩 মাদক বিরোধী র্যালি ও লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি ধানমণ্ডিতে
🟩 নির্বাচিত সরকার ছাড়া দেশের স্বাভাবিকতা ফেরানো অসম্ভব
🟩 চীন সফরে রাজনৈতিক সমঝোতা স্মারকে আগ্রহ দেখাল সিপিসি
আইনের দুর্বল প্রয়োগের কারণে অনেক মাদক ব্যবসায়ী রেহাই পাচ্ছে, যা মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের বড় অন্তরায়—এমন মন্তব্য করেছেন বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার নাসির উদ্দিন আহমেদ অসীম।
তিনি বলেন, “মাদক প্রতিরোধে ব্যর্থ হলে পুরো জাতিই অন্ধকারে নিমজ্জিত হবে।”
বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) আন্তর্জাতিক মাদক বিরোধী দিবস উপলক্ষে রাজধানীর ধানমন্ডির রবীন্দ্র সরোবরে ধানমন্ডি থানা যুবদলের উদ্যোগে আয়োজিত র্যালি ও লিফলেট বিতরণ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন,
“যুবসমাজকে গঠনমূলক কাজে সম্পৃক্ত রাখতে পারলে মাদকের কবল থেকে রক্ষা করা সম্ভব। শুধুমাত্র বক্তৃতা নয়, বাস্তবিক উদ্যোগ নিতে হবে।”
এসময় তিনি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য অবিলম্বে প্রয়োজনীয় সংস্কার দাবি করেন এবং বলেন—
“নির্বাচিত সরকার না আসা পর্যন্ত দেশের স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনা অসম্ভব।”
অনুষ্ঠানে স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। লিফলেট বিতরণের মাধ্যমে মাদকের কুফল সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান জানানো হয়।
আরও পড়ুন… দিনাজপুরে ৩৪ লাখ টাকা ছিনতাই নাটক: নিজেই পরিকল্পনাকারী ব্যবসায়ী মইনুল
এদিকে চীন সফরের তৃতীয় দিন (২৫ জুন)ও ব্যস্ত সময় পার করেছে বিএনপির ৯ সদস্যের প্রতিনিধি দল।
দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলটি চায়না কমিউনিস্ট পার্টির সানঝি প্রদেশ কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও চেয়ারম্যান স্ট্যান্ডিং কমিটি ঝাও ইয়েডি’র সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য, উচ্চশিক্ষা এবং হাইটেক খাতে সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দেন ঝাও ইয়েডি।
বৈঠক শেষে বিএনপি প্রতিনিধি দলের সম্মানে নৈশভোজের আয়োজন করেন তিনি।
এর আগে মঙ্গলবার সিপিসির আন্তর্জাতিক বিভাগের মিনিস্টার লি জিয়াং ঝাও-এর সঙ্গে বিএনপির প্রতিনিধি দলের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকের পর বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান,
“কমিউনিস্ট পার্টি অব চায়না রাজনৈতিক সমঝোতা স্মারকে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। ‘এক চীন’ নীতিতে বিএনপির সুস্পষ্ট অবস্থানকে সিপিসি স্বাগত জানিয়েছে।”
পদ্মা টেলিভিশনের বিশ্লেষণে বলা হয়, বিএনপির এই চীন সফর এবং অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বার্তাগুলো দলটির আন্তর্জাতিক কূটনীতি এবং ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কৌশলের অংশ হিসেবে দেখছেন পর্যবেক্ষকরা।

