চার বছর পড়াশোনার খরচ দিলেন প্রবাসী স্বামী, চাকরি পেতেই তালাকের অভিযোগ

সরকারি চাকরি পাওয়ার সাত মাস পর স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার অভিযোগ, প্রবাসী স্বামীর দাবি
প্রবাসী স্বামীর আর্থিক সহায়তায় পড়াশোনা শেষ করে সরকারি চাকরি পাওয়ার প্রায় সাত মাসের মাথায় স্ত্রী তাকে তালাক দিয়েছেন—এমন অভিযোগ করেছেন চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলার এক ব্যক্তি।
অভিযোগকারী সাইফুল ইসলাম জানান, শাহরাস্তি উপজেলার রায়শ্রী দক্ষিণ ইউনিয়নের রঘুরামপুর গ্রামের আনোয়ার হোসেনের মেয়ে জান্নাতুল ফেরদৌসের সঙ্গে পারিবারিকভাবে তার বিয়ে হয়। বিয়ের প্রায় চার মাস পর তিনি কর্মস্থল মালয়েশিয়ায় চলে যান।
সাইফুলের দাবি, স্ত্রী উচ্চশিক্ষার আগ্রহ প্রকাশ করলে তিনি তার পড়াশোনার খরচ বহন শুরু করেন। প্রথমে কুমিল্লা শহরে বাসা ভাড়া নিয়ে এইচএসসি পড়ার ব্যবস্থা করেন। পরে ঢাকায় কোচিং করে সরকারি চাকরির প্রস্তুতি নেওয়ার আগ্রহ জানালে তাতেও সম্মতি দেন তিনি।
অভিযোগকারী বলেন, প্রায় চার বছর ধরে স্ত্রীর পড়াশোনা, কোচিং, বাসাভাড়াসহ বিভিন্ন খরচ তিনি বহন করেছেন। একপর্যায়ে জান্নাতুল ফেরদৌস দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ে সরকারি চাকরি পেয়েছেন বলে তাকে জানান।
সাইফুলের অভিযোগ, চাকরি পাওয়ার পর থেকেই স্ত্রীর আচরণে পরিবর্তন লক্ষ্য করেন তিনি। দেশে ফেরার প্রস্তুতির কথা জানালে স্ত্রী তাকে আরও কয়েক বছর বিদেশে থাকার পরামর্শ দেন বলেও দাবি তার।
পরে দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নিলে স্বর্ণালংকারসহ বিভিন্ন জিনিসপত্র দেওয়ার দাবি করা হয় বলে অভিযোগ করেন সাইফুল। একপর্যায়ে তিনি দেশে ফিরে আসার পর তাদের দাম্পত্য সম্পর্কে টানাপোড়েন তৈরি হয়।
সাইফুলের দাবি, এর কিছুদিন পর জান্নাতুল ফেরদৌস তাকে তালাক দেন।
- তবে এ বিষয়ে জান্নাতুল ফেরদৌসের বক্তব্য জানা যায়নি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা-ও প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।


