নারী আসনে সরাসরি নির্বাচন নয়, প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার সুযোগ চান রাশেদ খান

🟩 ১০০ আসন নারীদের জন্য বরাদ্দ নয়, বরং প্রতিযোগিতার মাধ্যমে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া উচিত
🟩 নারীর মর্যাদা রক্ষায় সরাসরি প্রতিযোগিতাই শ্রেয় বলে মত দিয়েছেন গণঅধিকার পরিষদের নেতা
🟩 ঐকমত্য কমিশনের প্রস্তাব নিয়ে অস্পষ্টতা রয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি
গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেদ খান জাতীয় সংসদে নারীদের জন্য বরাদ্দকৃত ১০০ আসন প্রসঙ্গে বলেছেন, “সব আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সুযোগ থাকা উচিত, নারী বা পুরুষ বলে আলাদা কোনো আসন থাকা উচিত নয়।”
মঙ্গলবার (১৭ জুন) নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি এই বক্তব্য তুলে ধরেন।
তিনি লেখেন,
“১০০ আসনে নারীরা সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হয়ে সংসদে যাওয়ার যে বক্তব্য হাজির করা হচ্ছে, সেই বিষয়ে সংবিধান সংস্কার কমিশন ও নির্বাচন সংস্কার কমিশন নিজেরাই একমত হতে পারেনি।”
ঐকমত্য কমিশনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট কোনো পদ্ধতি এখনো উপস্থাপন না করায় “জনগণ বিভ্রান্ত হতে পারে” বলেও সতর্ক করেন রাশেদ খান।
আরও পড়ুন… “দুই বিষয়ের বাইরে সংসদ সদস্যরা স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারবেন” — বিএনপি নেতা
তিনি আরও লেখেন—
-
“ধরে নেওয়া হচ্ছে, ৩০০ আসনের সংসদে ১০০ আসন শুধু নারীদের জন্য ছেড়ে দিতে হবে, যেখানে পুরুষ অংশ নিতে পারবে না।”
-
এই ব্যবস্থা অতীতের সংরক্ষিত নারী আসনের মতোই সীমাবদ্ধ।
-
দলীয় মনোনয়নের মাধ্যমেই নারীরা নির্বাচিত হবেন, যা সরাসরি ভোটে অংশগ্রহণের গণতান্ত্রিক চেতনার পরিপন্থী।
“বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার মতো প্রতিযোগিতায় নারী-পুরুষ সমানভাবে অংশ নিচ্ছে,” এই উদাহরণ টেনে রাশেদ খান বলেন,
“৩০০ আসন পুরুষের, ১০০ আসন নারীর—এভাবে ভাগাভাগি বরং বিভ্রান্তি তৈরি করবে।”
আরও পড়ুন… “৫ আগস্টের পর দেশে চাঁদাবাজি ও লুটপাট বেড়েছে”: নূরুল ইসলাম বুলবুল
তাঁর প্রস্তাব—
-
আইন করে দলগুলোকে বাধ্য করা যেতে পারে যেন ৪০০ আসনের মধ্যে অন্তত ১০০ আসনে নারী প্রার্থী দেয়।
-
এতে নারীরা সাধারণ প্রার্থীদের সঙ্গেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন, নারী হিসেবে আলাদা সুবিধা পেতে হবে না।
-
“এভাবে নারীরা যখন নির্বাচিত হবেন, তা হবে সম্মানজনক ও মর্যাদাসম্পন্ন।”
রাশেদ খানের এই অবস্থান মূলত রাজনৈতিক কোটা ব্যবস্থার পরিবর্তে প্রতিযোগিতামূলক ভিত্তিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান হিসেবেই দেখা হচ্ছে।