“৫ আগস্টের পর দেশে চাঁদাবাজি ও লুটপাট বেড়েছে”: নূরুল ইসলাম বুলবুল

🟢 “নিজ দলের কর্মীরা যেখানে নিরাপদ নয়, জনগণ কীভাবে থাকবে?”—জামায়াত নেতা
🟢 “মানুষের হৃদয় দখল করেছে জামায়াত-শিবির”—বুলবুল
🟢 “ত্যাগ ও তাকওয়ার আলোকে শোষণমুক্ত সমাজ গড়তে হবে”
🟢 ইসলামী আদর্শেই সম্ভব ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠা—জোরালো আহ্বান
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেছেন,
“৫ আগস্ট ফ্যাসিবাদ আওয়ামী লীগের পতনের পর থেকে একটি মহল সারা দেশে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, লুটপাট ও নৈরাজ্য চালিয়ে যাচ্ছে।”
মঙ্গলবার (১৭ জুন) জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের অফিস ওয়ার্ডের আয়োজনে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
“পত্রপত্রিকার মাধ্যমে জানতে পারি, চাঁদার টাকা ভাগাভাগি ও ভূমি দখল নিয়ে নিজেরাই নিজেদের শতাধিক নেতাকর্মীকে খুন করেছে,” উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন,
“এমনকি অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েকে বিয়ে দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় মেয়ের বাবাকেও খুন করা হয়েছে। যারা নিজেদের দলের কর্মীদেরই নিরাপত্তা দিতে পারে না, তাদের কাছে দেশের জনগণ কেমন করে নিরাপদ থাকতে পারে?”
তার মতে, “নৈরাজ্য সৃষ্টি করে জনগণের ভালোবাসা পাওয়া যায় না। জামায়াত ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা মানুষের জান-মাল রক্ষা করে মানুষের হৃদয় জয় করেছে।”
আরও পড়ুন… অভিযোগ প্রসঙ্গে মুখ খুললেন সারোয়ার তুষার
তিনি বলেন,
“সৎ, যোগ্য ও আদর্শিক নেতৃত্ব ছাড়া জনগণের কল্যাণ সম্ভব নয়। তাই সবাইকে ভোগের মানসিকতা ছেড়ে জাতির কল্যাণে আত্মনিয়োগ করতে হবে।”
ঈদুল আজহার তাৎপর্য নিয়ে বক্তব্যে তিনি বলেন,
“এই ঈদ আমাদের কোরবানির আদর্শে উদ্বুদ্ধ করে। এটি অর্থনৈতিক বৈষম্য দূর করে তাকওয়াভিত্তিক সমাজ গঠনের অনুপ্রেরণা দেয়। যদি আমরা ইসলামী আদর্শ বাস্তব জীবনে অনুসরণ করি, তাহলে ইনসাফ ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা সম্ভব।”
হজরত ইব্রাহিম (আ.)-এর কোরবানির উদাহরণ তুলে ধরে তিনি বলেন,
“এই আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে শোষণমুক্ত সমাজ গঠনে জামায়াতে ইসলামীকে আরও সক্রিয় হতে হবে।”
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন মহানগরীর কর্মপরিষদ সদস্য কামরুল আহসান হাসান। সভাপতিত্ব করেন মো. আজিজুর রহমান এবং সঞ্চালনায় ছিলেন মো. আলাউদ্দিন। অফিস ওয়ার্ডের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।