অন্তর্বর্তী সরকারের কার কী পরিচয়।

ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ ২০০৫ সালের ২ মে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর হিসেবে যোগদান করেন এবং ৩০ এপ্রিল ২০০৯-এ তার চার বছরের মেয়াদ পূর্ণ করেন। তিনি বাংলাদেশ সরকারের প্রশাসনের ক্ষেত্রে বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। সালেহ উদ্দিন বাংলাদেশে ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রমের শীর্ষ অর্থ সংস্থা পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছিলেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল একই বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগ থেকে ১৯৮৬ সালে স্নাতক ও ১৯৮৭ সালে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন। ১৯৯৯ সালে সোয়াস (স্কুল অব ওরিয়েন্টাল অ্যান্ড আফ্রিকান স্টাডিজ) ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন থেকে তার পিএইচডি সম্পন্ন করেন।
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আদিলুর রহমান খান মানবাধিকার সংগঠন ‘অধিকার’-এর সম্পাদক। গত বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময় তিনি ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ওয়ান-ইলেভেনের সময় সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারেও একই দায়িত্ব পালন করেন তিনি। ২০০৮ সালের নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করলে তিনি পদত্যাগ করেন।
সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও পরিবেশকর্মী। বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা)-এর প্রধান নির্বাহী। পরিবেশ রক্ষায় বিভিন্ন সময় সুপ্রিম কোর্টে বিভিন্ন মামলা করে আলোচিত হন তিনি।
বাংলাদেশ ব্যাংক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদ থেকে সরিয়ে দিলে নূরজাহান বেগম প্রতিষ্ঠানটির ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি গ্রামীণ পরিবারের একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান ‘গ্রামীণ শিক্ষা’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে ২০১০ সালে গ্রামীণ ডিস্ট্রিবিউশন-এর চেয়ারম্যান নিযুক্ত হন তিনি।
মো. নাহিদ ইসলাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞানের স্নাতকোত্তর ছাত্র। তিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মূল নেতা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংগঠন ছাত্রশক্তির সাধারণ সম্পাদকও তিনি
কুমিল্লার মুরাদনগরের আসিফ মাহমুদ (২৬) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষাবিজ্ঞানের স্নাতকোত্তর ছাত্র। আসিফ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম প্রধান সমন্বয়ক।তিনি নাখালপাড়া হোসেন আলী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২০১৫ সালে এসএসসি পাস করেন। এরপর ২০১৭ সালে আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন। তিনি কলেজের বিএনসিসি প্লাটুনের একজনপ্রাক্তন ক্যাডেট সার্জেন্ট ছিলেন।তিনি ঢাবির ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতিও ছিলেন।
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) এম সাখাওয়াত হোসেন বাংলাদেশের একজন সাবেক নির্বাচন কমিশনার। তিনি ইউনাইটেড স্টেটস আর্মি কমান্ড অ্যান্ড জেনারেল স্টাফ কলেজ থেকে স্নাতক হন। তিনি পাকিস্তানের ইসলামাবাদের কায়েদ-ই-আজম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।
ফরিদা আখতার একাধারে লেখক, গবেষক ও আন্দোলনকর্মী। তার জন্ম চট্টগ্রাম চন্দনাইশ থানার হারলা গ্রামে। পড়াশোনা করেছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতিতে।
বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলের দরিদ্র মানুষের অবস্থা জানা এবং পরিবর্তনের জন্য নীতিনির্ধারণী গবেষণা ও লেখালেখিই তার কাজের প্রধান দিক। এছাড়া নারী উন্নয়ন, স্বাস্থ্য, কৃষি, মৎস্য সম্পদ, তাঁত শিল্প, গার্মেন্টস শিল্প ও শ্রমিক, জনসংখ্যা এবং উন্নয়নমূলক বিষয়ে নিবিড়ভাবে দীর্ঘ প্রায় তিন দশক ধরে কাজ করছেন তিনি।
খাগড়াছড়ির সুপ্রদীপ চাকমা পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান।সুপ্রদীপ এর আগে ভিয়েতনাম ও মেক্সিকোতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে কাজ করেছেন এবং সরকারের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের ছাত্র ছিলেন।বিসিএস ১৯৮৫ ব্যাচের একজন পররাষ্ট্র ক্যাডার হিসেবে তিনি রাবাতে বাংলাদেশ দূতাবাস, কলম্বোতে বাংলাদেশ হাইকমিশন, ব্রাসেলসে বাংলাদেশ দূতাবাস এবং আঙ্কারায় বাংলাদেশ দূতাবাসে বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেন।
আরও পড়ুন: কে কোন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেলেন
এএফ হাসান আরিফ সুপ্রিম কোর্টের একজন সিনিয়র আইনজীবী। তিনি ১৯৭০ সাল থেকে আইনচর্চা করছেন। ১৯৬৭ সালে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতা হাইকোর্টের একজন আইনজীবী হিসেবে কাজ শুরু করেন।
তিনি এএফ হাসান আরিফ অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটসের চেম্বার প্রধান।হাসান আরিফ ২০০১ সালের অক্টোবর থেকে ২০০৫ সালের এপ্রিল পর্যন্ত বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেলের পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন। তিনি জানুয়ারি ২০০৮ থেকে জানুয়ারি ২০০৯ পর্যন্ত বাংলাদেশের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আইন উপদেষ্টা ছিলেন। তিনি আইসিসি ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব আরবিট্রেশনের কোর্ট মেম্বার।
মো. তৌহিদ হোসেন, সাবেক পররাষ্ট্র সচিবমো. তৌহিদ হোসেন বাংলাদেশের সাবেক পররাষ্ট্র সচিব। তিনি ১৯৫৫ সালে জন্মগ্রহণ করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইতিহাসে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করে ১৯৮১ সালে বাংলাদেশ ফরেন সার্ভিসে যোগ দেন।
বিধান রঞ্জন রায় ময়মনসিংহের একজন মনোবিজ্ঞান বিশেষজ্ঞ। তিনি ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব মেন্টাল হেলথ অ্যান্ড হাসপাতালের সাইকিয়াট্রি বিভাগের পরিচালক-কাম-অধ্যাপক ছিলেন।
তিনি ঢাকার স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস সম্পন্ন করেন। তিনি ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের মনোরোগ বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ছিলেন
আ ফ ম খালিদ হোসেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের সাবেক নায়েবে আমীর, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শিক্ষা উপদেষ্টা, মাসিক আত তাওহীদের সম্পাদক ও আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রামের কুরানিক সায়েন্সেস অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অতিথি শিক্ষক।
শারমিন মুরশিদ, মানবাধিকারকর্মীবেসরকারি সংস্থা এবং স্থানীয় নির্বাচন পর্যবেক্ষক গ্রুপ ‘ব্রতী’-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন মুরশিদ দীর্ঘদিন ধরে ভোটাধিকার ও বাকস্বাধীনতার পক্ষে সরব রয়েছেন।
ফারুক-ই-আজম, মুক্তিযোদ্ধা
বীর মুক্তিযোদ্ধা ও নৌকমান্ডো ফারুক-ই-আজম একজন বীর প্রতীক। ১৯৫০ সালে চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে জন্মগ্রহণ করেন তিনি।”পদ্মা টিভি”