“এবার ইসলামী ঐক্য হবেই”: ঘোষণা জামায়াতের রফিকুল ইসলাম খানের

🟩 সব ইসলামী দলের এক ভোট বাক্সেই ঐক্যের আলোচনা চলছে
🟩 “জামায়াত সর্বোচ্চ ছাড় দিতে প্রস্তুত”—জোরালো প্রতিশ্রুতি
🟩 কেয়ারটেকার সরকারের অধীনে স্থানীয় নির্বাচন চায় জামায়াত
🟩 স্বৈরাচারী নির্বাচনী পরিকল্পনার বিরুদ্ধে ১৮ কোটি মানুষের প্রতিবাদ থাকবে
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মো. রফিকুল ইসলাম খান বলেছেন, “এবার ইসলামী দলগুলোর ঐক্য হবেই। সব ইসলামী ব্যক্তি, দল ও আলেমসমাজ ঐক্যবদ্ধ হওয়ার পথে রয়েছে। এই ঐক্যের জন্য জামায়াত সর্বোচ্চ ছাড় দেবে ইনশাআল্লাহ।”
তিনি বলেন, “সব ইসলামী দলের ভোট বাক্স এবার একটি হবে—এই লক্ষ্যে ইতিমধ্যে আলোচনা চলছে।”
শুক্রবার (২৭ জুন) সকালে গাজীপুর জেলা জামায়াত আয়োজিত ওয়ার্ড দায়িত্বশীল সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
রফিকুল ইসলাম খান আরও বলেন—
“একটি স্বৈরাচারী দল যেনতেন নির্বাচনের মাধ্যমে আবার ক্ষমতায় আসতে চায়। কিন্তু ১৮ কোটি মানুষ সেই নীলনকশা বাস্তবায়ন হতে দেবে না।”
তিনি দাবি করেন—
“গত ৫৪ বছরে দলীয় সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচনই নিরপেক্ষ হয়নি। তাই কেয়ারটেকার সরকারের অধীনে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজন করতে হবে।”
তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানান গণহত্যার বিচার দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য।
তার ভাষায়—
“সরকারের ভেতরে ও বাইরে যারা অস্থিতিশীলতা তৈরিতে সক্রিয় তাদের চিহ্নিত করে বিচারের মুখোমুখি করতে হবে।”
পদ্মা টেলিভিশনের অনুসন্ধানে জানা যায়, জামায়াত এবার ইসলামী ঐক্যকে রাজনৈতিক বাস্তবতায় রূপ দিতে সচেষ্ট, এবং ভোটকেন্দ্রিক সহমতের ভিত্তিতে বৃহৎ প্ল্যাটফর্ম গড়ার পথে এগোচ্ছে।
আরও পড়ুন … বাংলাদেশ-চীন-পাকিস্তান মিলে জোট গঠনের গুঞ্জন ভিত্তিহীন: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন
সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন গাজীপুর জেলা জামায়াতের আমির ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম।
উপস্থিত ছিলেন:
▪️ কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সেক্রেটারি ড. মাওলানা সামিউল হক ফারুকী
▪️ কেন্দ্রীয় শুরা সদস্য ও মহানগর জামায়াতের নায়েবে আমির মো. খাইরুল হাসান
▪️ জামায়াতের অন্যান্য স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।
এই সম্মেলনের মাধ্যমে ইসলামী দলগুলোর রাজনৈতিক ঐক্য নতুন মাত্রায় প্রবেশ করছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

