খামেনির মৃত্যুসংবাদ পোস্ট করে যা লিখলেন ট্রাম্প

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হয়েছেন বলে দেশটির কয়েকটি গণমাধ্যম দাবি করেছে।
রোববার (১ মার্চ) ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সি এবং ফার্স নিউজ এজেন্সি পৃথক প্রতিবেদনে তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করার কথা জানায়। একই সময়ে রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি জানায়, দেশের সর্বোচ্চ নেতা ‘শাহাদাত বরণ করেছেন’।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল–এ এক পোস্টে খামেনির মৃত্যুর দাবি প্রকাশ করেন। সেখানে তিনি উল্লেখ করেন, দীর্ঘদিনের গোয়েন্দা নজরদারি ও ইসরায়েলের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে এই অভিযান পরিচালিত হয়েছে।
তার বক্তব্যে আরও বলা হয়, ইরানের সামরিক ও নিরাপত্তা কাঠামোর একটি অংশ যুদ্ধ চালিয়ে যেতে অনাগ্রহ প্রকাশ করছে এবং নিরাপত্তা নিশ্চয়তা চাইছে। বিশেষ করে আইআরজিসি সদস্যদের মধ্যেও ভিন্নমতের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।
অন্যদিকে হামলায় খামেনির পরিবারের কয়েকজন সদস্য—তার মেয়ে, জামাতা ও নাতিও নিহত হয়েছেন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
ইরান সরকার এ ঘটনায় দেশজুড়ে সাত দিনের সরকারি ছুটি এবং ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে। মধ্যপ্রাচ্যের এই উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল–এর মধ্যে চলমান সংঘাতকে নতুন মাত্রায় নিয়ে যেতে পারে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।

