১৫ বছরের শাসনামলে ঋণ ও পাচারকৃত অর্থের পরিমাণ

১৫ বছরের শাসনামলে ঋণ ও পাচারকৃত অর্থের পরিমাণ:
বাংলাদেশে ঋণ এবং দুর্নীতির প্রভাব কি এতই গভীর যে তা দেশের ভবিষ্যতের উপর ছায়া ফেলছে? দেখে আসি শেখ হাসিনার ১৫ বছরের শাসনামলে কী ঘটেছে।
বর্তমানে দেশের মোট ঋণের পরিমাণ ১৮ লাখ ৩৫ হাজার কোটি টাকা, যা অর্থনীতিতে একটি বিশাল চাপ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে । এর পাশাপাশি, পাচার হওয়া টাকার পরিমাণ ১১ লাখ কোটি টাকারও বেশি, যা দেশের উন্নয়ন প্রকল্পগুলির জন্য ব্যবহার করা যেত । এই অর্থ পাচারের ফলে দেশের উন্নয়ন এবং প্রয়োজনীয় সেবাগুলোতে ব্যয় বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
হিসেব করে দেখা যায়, পাচার করা এই বিপুল অর্থ ৫৭টি মেট্রোরেল এবং ২৬টি পদ্মা সেতু নির্মাণে ব্যবহার করা যেত , যা দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারত। এই তথ্যগুলো কি আমাদের দেখাচ্ছে না যে, দুর্নীতি এবং অর্থ পাচার দেশের সম্ভাবনাগুলোকে কীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে?
ঋণের এই পরিমাণ দেশের অর্থনীতিতে তীব্র চাপ সৃষ্টি করছে । বিদেশি ঋণ দেশের রাজস্বের একটি বড় অংশ ঋণ শোধে ব্যয় করতে বাধ্য করছে , যা দেশের অবকাঠামো উন্নয়ন বা সামাজিক সেবা উন্নয়নে ব্যয় করা যেত ।
দুর্নীতি জনগণের সরকারের উপর আস্থা হ্রাস করার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে । জনগণ মনে করছে যে, তাদের কষ্টার্জিত অর্থের সঠিক ব্যবহার হচ্ছে না। এই বিপুল পরিমাণে ঋণের বোঝা বইতে হবে জনগণকেই।
এই দুর্নীতি এবং ঋণের পরিস্থিতিতে দেশের জনগণ প্রচণ্ড চাপের মধ্যে পড়েছে । প্রতিটি নাগরিকের মাথাপিছু ঋণ ৬০ হাজার টাকার বেশি হওয়ায় ভবিষ্যতের জন্যও চাপ তৈরি করছে । জনগণের মধ্যে একটি সাধারণ ধারণা তৈরি হয়েছে যে সরকারের উচিত এই অর্থ পাচার রোধ করা এবং ঋণের বোঝা কমানো। এছাড়া, তারা সুশাসন দাবি করছে , যাতে দুর্নীতি কমে এবং দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ঘটে। পদ্মা টিভি
নিজস্ব প্রতিবেদক

