ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধবিরতি কার্যকর, সংলাপের আহ্বানে চীন

🟩 ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষণায় ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে মঙ্গলবার ভোরে
🟩 চীন বলছে, “সংঘাত নয়, আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান সম্ভব”
🟩 চীনা মুখপাত্রের মন্তব্য: “সেনা অভিযান কখনও শান্তি আনতে পারে না”
🟩 সম্প্রতি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টাপাল্টি হামলায় শত শত প্রাণহানি
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষণায় ইরান ও ইসরায়েল ‘পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতিতে’ সম্মত হয়েছে, যা কার্যকর হয়েছে মঙ্গলবার (২৪ জুন) গ্রিনিচ মান সময় অনুযায়ী ভোর ৪টা থেকে। এ ঘোষণার পর চীন পক্ষ থেকে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিক্রিয়া এসেছে।
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন বেইজিংয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন,
“আমরা মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার ঘূর্ণাবর্ত দেখতে চাই না। চীন আশা করছে, এই যুদ্ধবিরতি দ্রুত কার্যকর হবে এবং সব পক্ষ সংলাপে ফিরে আসবে।“
তিনি আরও বলেন, “চীন পরিস্থিতি ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং বিশ্বাস করে যে, সেনা অভিযান কখনও শান্তি আনতে পারে না। প্রকৃত সমাধান হলো রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক পথে।“
এর আগে সোমবার, ইরান কাতারে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের আল উদেইদ বিমানঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়, যা মধ্যপ্রাচ্যের সংকট আরও ঘনীভূত করে তোলে। তার আগে, রোববার যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তিনটি পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালায়, যার মাধ্যমে চলমান উত্তেজনা চরমে পৌঁছে।
এই পাল্টাপাল্টি হামলার সূত্রপাত হয় ১৩ জুন থেকে, যখন ইসরায়েল মার্কিন সমর্থনে ইরানে সামরিক অভিযান শুরু করে এবং তেহরান এর প্রতিক্রিয়ায় ইসরায়েলের ওপর হামলা চালায়।
আরও পড়ুন… নরসিংদীতে হত্যা ডাকাতিসহ একাধিক মামলার আসামী গ্রেপ্তার
ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ইরানের সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ২৫ জন নিহত এবং শতাধিক আহত হয়েছে।
অন্যদিকে, ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, ইসরায়েলের হামলায় দেশটিতে কমপক্ষে ৪৩০ জন নিহত এবং ৩,৫০০ জনের বেশি আহত হয়েছেন।
চীন বলছে—আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার স্বার্থে শক্তি প্রয়োগ নয়, রাজনৈতিক সংলাপই হোক ভবিষ্যতের পথ।
এই যুদ্ধবিরতি বজায় থাকবে কিনা—তা নির্ভর করছে অংশগ্রহণকারী শক্তিগুলোর আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীল আচরণের ওপর।

