যুদ্ধে জড়িয়ে অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের মুখে ইসরায়েল, প্রতিরাতে খরচ ২৮ কোটি ডলার

🟩 ইরানকে ঠেকাতে প্রতিরাতেই ২৮ কোটি ৫০ লাখ ডলার ব্যয় করছে ইসরায়েল
🟩 মাত্র ৪৮ ঘণ্টার লড়াইয়েই খরচ ১.৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে
🟩 মিসাইল প্রতিরক্ষায় বিপুল ব্যয়: ফুরিয়ে আসছে অ্যারো ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত
🟩 অর্থনীতিবিদদের শঙ্কা—যুদ্ধ চলতে থাকলে বাজেট কাঠামো ভেঙে পড়বে
ইরানের সঙ্গে সরাসরি যুদ্ধে জড়িয়ে গভীর অর্থনৈতিক সংকটে পড়েছে ইসরায়েল।
দেশটির প্রতিরক্ষা বাহিনীর হিসাব অনুযায়ী, প্রতিদিন শুধু ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষায় ব্যয় হচ্ছে প্রায় ২৮ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার।
‘দ্য মার্কার’-এর তথ্য অনুযায়ী, ইরানের লাগাতার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা ঠেকাতে আয়রন ডোম, ডেভিডস স্লিং ও অ্যারো সিস্টেম ব্যবহারে প্রতিটি ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের খরচই কয়েক লাখ ডলার।
🛡️ ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, ইসরায়েলের অন্যতম প্রতিরক্ষা অস্ত্র ‘অ্যারো মিসাইল’ এর মজুত ফুরিয়ে আসছে।
এমন পরিস্থিতিতে প্রতিরক্ষা ব্যয়ের ধারাবাহিকতা ইসরায়েলের অর্থনীতির ওপর মারাত্মক চাপ ফেলতে পারে।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর সাবেক উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল রেয়েম আমিনাখ জানান,
“এখনকার যুদ্ধ পরিস্থিতিতে দৈনিক গড় সামরিক ব্যয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ৭২ কোটি ৫০ লাখ ডলার।”
মাত্র ৪৮ ঘণ্টায় দেশটির ব্যয় ছাড়িয়ে গেছে দেড় শ কোটি ডলার, যার অর্ধেক গেছে প্রতিরক্ষায় ও বাকি অর্ধেক হামলায়।
আরও পড়ুন… মার্কিন হামলার ফলাফল হবে ‘গুরুতর ও অপূরণীয়’: খামেনির হুঁশিয়ারি
বিশ্লেষকরা বলছেন:
-
এই যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে ইসরায়েলের বাজেট কাঠামো মুখ থুবড়ে পড়তে পারে।
-
যুদ্ধ চলাকালে বিপুল ব্যয় জনগণের ওপর করের বোঝা বাড়াবে।
-
বাজেট ঘাটতি ও মুদ্রাস্ফীতি দেশটির অর্থনীতিকে এক ভয়াবহ অবস্থায় নিয়ে যেতে পারে।
এই মুহূর্তে ইসরায়েলের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ—যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া নাকি অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষা করা, দুইয়ের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা।

