
🔸 ভাইরাল ভিডিওতে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় মারধরের দৃশ্য
🔸 গ্রামবাসীর মুচলেকা নেওয়ার পরও চুরি থামেনি
🔸 সামাজিক চাপেই পরিবারের এমন সিদ্ধান্ত
সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে চুরির ঘটনায় অভিযুক্ত ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইছা মিয়াকে এবার তার নিজের পরিবারই পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে।
শনিবার (১৪ জুন) রাতে তার বাবা সায়েদ আলী থানায় লিখিত অভিযোগ করেন, এবং পরদিন রোববার সকালে পুলিশ ইছা মিয়াকে আটক দেখিয়ে আদালতে পাঠায়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তাহিরপুর থানার ওসি দেলোয়ার হোসেন।
“ছেলেকে রক্ষা করার চেষ্টা করিনি। সমাজের চোখে মাথা উঁচু করে চলতে চাই বলেই পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছি”—ইছার ভাই হযরত আলী।
গত ৩১ মে রাতে সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার সাধেরখলা গ্রামে একটি দোকানে চুরির ঘটনা ঘটে।
চুরির অভিযোগে গ্রামবাসী ইছা মিয়াকে খুঁটির সঙ্গে হাত-পা বেঁধে মারধর করে এবং চুরি স্বীকার করিয়ে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেয়।
সেই ঘটনার ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে, শুরু হয় তীব্র সমালোচনা।
পরিবার সামাজিকভাবে লজ্জিত বোধ করে, এবং তাকে হাসপাতালে ভর্তি করায়।
কিন্তু চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইছা মিয়া হাসপাতাল থেকে পালিয়ে শ্বশুরবাড়ি চলে যায়।
পরে পরিবার তাকে ধরে এনে থানায় সোপর্দ করে।
🔹 রহিম মিয়ার দোকান থেকে চুরি করা মালামাল তার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়
🔹 সে আরও কয়েকটি বাড়ি ও মসজিদে চুরি করার কথাও স্বীকার করেছে
🔹 কোনো আত্মীয়-স্বজন এগিয়ে না আসায়, গ্রামবাসী স্থানীয় ইউপি সদস্যের মাধ্যমে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেয়
ফেসবুকে ভাইরাল হওয়া হাত-পা বাঁধা ভিডিও স্থানীয় মহলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়
এই ঘটনায় গত ৩ জুন ‘মসজিদে চুরি করে স্বীকার করলেন যুবলীগ নেতা’ শিরোনামে পদ্মা টেলিভিশনে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ হয়
আরও পড়ুন...স্ত্রীর পাঠানো ডিভোর্স লেটার দেখে যুবকের আত্মহত্যা
👉 পদ্মা টেলিভিশনের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, আইন ও সামাজিক ন্যায়ের স্বার্থে পরিবার ও সমাজের এমন পদক্ষেপ ইতিবাচক বার্তা দেয়।
👉 কোনো দলের পদ-পদবি অপরাধ ঢাকার ঢাল হতে পারে না। দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে আইন লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।
উপদেষ্টা: এ কে আজাদ চৌধুরী
সম্পাদক ও প্রকাশক: কামরুল হাসান শান্ত
সহ সম্পাদক: সাখাওয়াত হোসেন
© পদ্মা নিউজ ২০২৫ - এর সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত